বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর ২০২৬ - ১৬:১৩
ট্রাম্পের দাবি: ইরানের প্রস্তাব আমি গ্রহণ করব না

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন এক বক্তব্যে দাবি করেছেন, তিনি ইরানের প্রস্তাব গ্রহণ করবেন না।

হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন বক্তব্যে টাইম ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের পরিস্থিতি খুবই খারাপ; তাদের অর্থনীতি ভেঙে পড়ছে।

ইরান একটি চুক্তি করতে চায়-এমন দাবি করে ট্রাম্প বলেন, আমি একটি প্রকৃত চুক্তি চাই।

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের ওপর নতুন করে হামলা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের বিষয়ে তিনি বলেন, এক বছর আগে যে বিষয়টি আমি প্রত্যাখ্যান করেছিলাম, আজও তা গ্রহণ করব না।

হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে ইরানের প্রস্তাবের প্রসঙ্গে ট্রাম্প দাবি করেন, আমি এর কিছু অংশ দেখেছি, তবে পুরোটা নয়। আর এটি সহজভাবে যথেষ্ট নয়।

ট্রাম্পের এসব দাবি ও বক্তব্য এমন সময় এসেছে, যখন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক বছরে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে নিজের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রকাশ্যে গর্ব করেছেন এবং আলোচনার বিষয়ে ইরানের সদিচ্ছার জবাবে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ ও পুনরায় সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকের ২১ দিন পর যুক্তরাষ্ট্র তার সব প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন করে এবং ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা পুনরায় শুরু করে।

গোলাবারুদের ঘাটতির প্রতিবেদনকে ‘ভুয়া’ বললেন ট্রাম্প

ট্রাম্প সাক্ষাৎকারে গোলাবারুদের ঘাটতি নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোকে ‘ভুয়া’ বলে অভিহিত করেন। তিনি দাবি করেন, আমাদের প্রচুর অস্ত্র রয়েছে এবং আমাদের পরিস্থিতি চমৎকার। এখন আমরা এগুলোর বিপুল পরিমাণ মজুত করছি এবং আমাদের মিত্রদের মধ্যে তা বিতরণ করব।

তিনি বলেন, পেন্টাগনের অস্ত্রভাণ্ডারে কিছু ধরনের গোলাবারুদের মজুত কমে গেছে। এ কারণে ওয়াশিংটন এসব গোলাবারুদের উৎপাদন বাড়াচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র প্যাট্রিয়ট ও থাড (THAAD) প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য গোলাবারুদ উৎপাদনে কয়েকটি কারখানা নির্মাণ করছে বলেও তিনি জানান।

তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মহাপরিদর্শক ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে প্রকাশিত প্রথম সরকারি প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন যে, এই সংঘাত মার্কিন সামরিক বাহিনীতে গোলাবারুদের ঘাটতি সৃষ্টি করেছে এবং অস্ত্র সরবরাহ ব্যবস্থায় ‘বাধা’ তৈরি করেছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত যুদ্ধের সময়কাল পর্যালোচনা করা ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ঘাটতি পূরণ করতে পেন্টাগন অস্ত্র ক্রয় ও উৎপাদন প্রক্রিয়া দ্রুততর করছে। একই সঙ্গে সরবরাহের সময় কমানো এবং কাঁচামাল, যন্ত্রাংশ ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ গোলাবারুদের মজুত বাড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

Tags

আপনার কমেন্ট

You are replying to: .
captcha